আচ্ছা ধরুন, আপনি একজনকে ভালোবাসেন অনেক ভালোবাসেন সেই ব্যক্তিটাও আপনাকে ভালোবাসে,,,প্রচুর ভালোবাসে তারপর???? তারপর ভালোবাসার কথা পরিবারে জেনে গেলো আপনার বিয়ে ঠিক হলো অন্য ছেলের সাথে কিন্তু আপনি বিয়ে করতে নারাজ। একসময় জোর করা শুরু করলো আপনি আপনার কতিপয় প্রেমিককে জানালেন। সে আপনাকে পালিয়ে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত জানালো। পালালেন, বিয়ে করলেন, মা-বাবা মেনে নিলেন নাহ।ঝামেলা শুরু হলো তারপর আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে গেলো সব। সবাই মেনে নিলো। এবার আপনি খুব সুখী। ১-২ বছর গেলো।আপনার কোল আলো করে একটা ফুটফুটে শিশু এলো। সবই ভালো চলছিলো হঠাৎ সংসারে ঝামেলা শুরু হলো। আপনার স্বামীর সাথে ঠিকঠাক হচ্ছে নাহ কিছুই। সে কারণে অকারনে আপনার সাথে ঝগড়া করে।সংসারে নানা কারণে অশান্তি চলে ইত্যাদি ইত্যাদি,,,,,,,,এক পর্যায়ে আপনার কতিপয় প্রেমিক বর্তমানে আপনার হ্যাজবেন্ট আপনার উপরে তিক্ততা অনুভব করেন। সে আপনাকে আর চায় নাহ, কারণে অকারণে ছেড়ে দিতে চায়। এখন সে আপনাকে ছেড়ে দিলে আপনার কি উপায় হবে বলুন?

কোথায় দাঁড়াবেন? ভেবে দেখেছেন?
এবার বলুন আপনি কি সুখী???
এখন একদল মানুষ আপনাকে বলবে প্রেম করে বিয়ে করলে যা হয় আর কি
এবার আসুন, আপনার মা-বাবা যে ছেলের সাথে বিয়ে ঠিক করেছিলো তাকেই বিয়ে করলেন তারপর সবই ভালো যাচ্ছিল তারপর আবার একই কাহিনি অশান্তি,,,,,আপনার স্বামী আপনাকে ছেড়ে দিতে চায় ইত্যাদি ইত্যাদি,,,,,,, এতে কি আপনি সুখী???
এবারো একদল লোক বলবে ওই যে ভালোবাসার মানুষকে ঠকিয়েছে এই জন্য এই অবস্থা,,,,,,,
লোকে তো বলবেই আপনার কিছু খারাপ হলেই লোকে বলবে প্রচুর বলবে তাতে জীবন কিন্তু থেমে থাকবে নাহ।।
বিয়ের পর আপনি সুখী হবেন কিনা সেটা আপনার উপর যেমন নির্ভর করবে তেমন নির্ভর করবে আপনার হ্যাজবেন্ড এর উপর।ঠিক এমনভাবে আপনার কপালেরও উপর,,,,,
সুতরাং মেয়েরা আপনাদের কি করা উচিত জানুন একটু ভেবে দেখবেন স্বামীর পরিচয়ে বাঁচবেন নাকি নিজের পরিচয় গড়ে তুলবেন

Leave a Comment